বছরের মাঝামাঝিতে ফেসবুক মনিটরিংয়ের প্রযুক্তিতে পৌঁছাব: মোস্তাফা জব্বার

২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফেসবুক ফিল্টারিং ও মনিটরিংয়ের প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ পৌঁছাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

৭ ফেব্রুয়ারি, বুধবার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের আইটি মার্কেট কম্পিউটার সিটি সেন্টারে আয়োজিত ‘ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ফেসবুক প্রশ্নপত্র ফাঁস করে না, এটিকে ব্যবহার করে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়। ফেসবুক বন্ধ করে লাভ নেই। কারণ যারা ফেসবুক চালায়, তারা জানে কীভাবে ফেসবুক বিকল্প উপায়ে ব্যবহার করতে হয়। ফেসবুক ফিল্টারিং বা মনিটরিংয়ের মতো প্রযুক্তি আমরা এখনো গ্রহণ করতে পারি নাই। তবে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফেসবুক ফিল্টারিং, মনিটরিংয়ের প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ পৌঁছাতে পারবে।’

বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গায় যাচ্ছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এপ্রিলের মধ্যে নেপালসহ দুইটি দেশে কম্পিউটার রফতানি করতে যাচ্ছে। দেশে ২০১৮ সালের মধ্যে আরও ৫টি কারখানা চালু হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া হয়তো বাইরের ব্র‍্যান্ডের পেছনে আমরা মেড ইন বাংলাদেশ লেখাটি দেখব। ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তিতে নেতৃত্বের স্থানে যাচ্ছে।’

সবার কাছে কম দামে ইন্টারনেট পরিষেবা সেবা দেওয়ার আশ্বাস জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারনেটের দাম কমানোর জন্য সরকার তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে ইনফো সরকার ১ এবং ২ বাস্তবায়িত হয়েছে। এখন ইনফো সরকার ৩ এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হবে। ২০১৮ সালের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন হবে। এই প্লাটফর্মটি তৈরি হলে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম আরও কমবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি আলী আশফাক প্রমুখ।

‘ডিজিটাল লিটারেসি ফর এভরিওয়ান’ স্লোগান নিয়ে নবমবারের মতো আয়োজিত এই মেলা চলবে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় আসা বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যে থাকবে বিশেষ ছাড় ও উপহার। এ মেলায় আইসিটি মার্কেটের ৬৫০টি আইটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় বিশেষ আয়োজন হিসেবে থাকছে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সেলিব্রিটিদের মেলা পরিদর্শন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ ও মেলা পরিদর্শনের ব্যবস্থাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এছাড়াও মেলা চলাকালে প্রবেশ টিকেটের ওপর র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা। মেলার প্ল্যাটিনাম স্পন্সর হলো এসার, ডেল, এইচপি, লজিটেক ও এক্সট্রিম। আর গোল্ড স্পন্সর আসুস, এফোরটেক ও লেনেভো। সিলভার স্পন্সর টিপি-লিংক, ডি-লিংক ও ইউসিসি।

Leave a Reply